সোনারগাঁয়ে আড়াইহাজারের যুবদল নেতার ওপর হামলা, হাসপাতালে মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় সন্ত্রাসীদের হামলায় জহিরুল ইসলাম ফকির (৪৫) নামের এক যুবদল নেতা প্রাণ হারিয়েছেন। বুধবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার চরকিশোরগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত জহিরুল আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের আব্দুর রহমানের ছেলে। তিনি আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করছিলেন। বুধবার রাত ১০ টার দিকে ফার্মেসি বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে উপজেলার চরকিশোরগঞ্জ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জহিরুল ইসলামের বাড়ি আড়াইহাজারে হলেও গত কয়েক বছর ধরে তিনি মুন্সিগঞ্জ সদরে ভাড়া বাসায় থাকতেন। চরকিশোরগঞ্জ এলাকায় তাঁর একটি ফার্মেসি রয়েছে। বুধবার রাতে ফার্মেসি বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে ২০ থেকে ২৫ জনের একদল লোক তাঁকে ধারালো চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম করে সড়কে ফেলে রেখে যায়। পরে তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

ঘটনার নেপথ্যে নির্বাচনী বিরোধের কথা জানিয়েছেন নিহতের স্বজনরা। নিহতের ভাগনে ইসমাইল ও বিল্লাল হোসেন জানান, আসন্ন কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা নিয়ে মোবারক হোসেনের সঙ্গে জহিরুল ইসলামের দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এর আগেও মোবারক তাঁর অনুসারীদের নিয়ে জহিরের ওপর একাধিকবার হামলা চালিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।

সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হামলার খবর পেয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এই অপরাধের সাথে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।