ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চূড়ান্ত পর্ব বা রান-অফের ভোটগ্রহণ আজ রোববার অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এবারের লড়াইটি অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। এতে অংশ নিচ্ছেন ৮০ বছর বয়সী বর্তমান বামপন্থি প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা এবং ৪৫ বছর বয়সী ডানপন্থি সিনেটর ফ্লাভিও বলসোনারো। ফ্লাভিও সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর সন্তান, যিনি বর্তমানে অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্র মামলায় ২৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন। গত ৪ঠা অক্টোবর অনুষ্ঠিত প্রথম দফার ভোটে ফ্লাভিও জয়লাভ করেছিলেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প সেই জয়কে বড় সাফল্য বলে অভিহিত করেছিলেন। তবে ব্রাজিলের ইতিহাসে প্রথম দফায় পিছিয়ে থাকা কোনো প্রার্থী দ্বিতীয় দফায় জয়ী হতে পারেননি।
ফ্লাভিও তার প্রচারণায় অপরাধ দমন, কর হ্রাস এবং অসুস্থ বাবাকে মুক্তি দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি লুলার দলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন। অন্যদিকে, প্রথম দফায় প্রায় ৩ কোটি ৩০ লাখ ভোটার ভোটদান থেকে বিরত থাকায় লুলা এবার ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। রিও ডি জেনিরোর সমাবেশে তিনি একে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার লড়াই হিসেবে বর্ণনা করেছেন। অন্যদিকে, প্রথম দফায় প্রায় ৩ কোটি ৩০ লাখ মানুষ ভোট না দেয়ায় ভোটারদের উপস্থিতি বাড়াতে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছেন লুলা।
নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুললেও ওয়াশিংটন তা নাকচ করেছে। ট্রাম্পের নীতির কঠোর সমালোচনা করে লুলা বলেন, ব্রাজিল কারো পেছনের উঠান নয়। যদিও ফ্লাভিওর মতে, অপরাধী চক্র দমনে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কাজ করলে দেশটির স্বার্থ সংরক্ষিত হবে। নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল জানতে লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা সাও পাওলোতে এবং ফ্লাভিও বলসোনারো ব্রাসিলিয়ায় অপেক্ষা করছেন।

