প্রবল ঘূর্ণিঝড় মুরাসু দুর্বল হয়ে গভীর নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে। ভারতের আবহাওয়া দপ্তরের (আইএমডি) তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (৪ নভেম্বর) ভোরে নিম্নচাপটি অন্ধ্রপ্রদেশ ও পার্শ্ববর্তী পূর্ব তেলেঙ্গানা অঞ্চলে অবস্থান করছিল। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৫৫ থেকে ৬৫ কিলোমিটার ছিল, যা দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৭৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছিল। বর্তমানে এটি উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এদিকে, মুরাসুর আপডেট নিয়ে ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তরের (আইএমডি) সর্বশেষ তথ্য বলছে, আজ বুধবার (৪ নভেম্বর) ভোরে এটি গভীর নিম্নচাপ হিসেবে উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশ ও সংলগ্ন পূর্ব তেলেঙ্গানার ওপর অবস্থান করছিল।
ঘূর্ণিঝড়টি দুর্বল হয়ে পড়ায় বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা, সমুদ্র বন্দর ও উত্তর বঙ্গোপসাগরে আর কোনো ঝুঁকি নেই। এই পরিস্থিতিতে আবহাওয়া অধিদপ্তর চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে আগের সতর্ক সংকেত নামিয়ে ফেলার পরামর্শ দিয়েছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশের সমুদ্র বন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভবনা নেই।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বুধবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেওয়া পূর্বাভাসে জানিয়েছে, সারাদেশে আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে। এই সময়ে দিনের ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে, তবে রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে। সামগ্রিকভাবে আপাতত দেশের আবহাওয়া স্থিতিশীল ও শুষ্ক থাকবে।








