দীর্ঘ চৌদ্দ বছর পার হয়ে গেলেও বহুল আলোচিত সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার জট এখনো খোলেনি। মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের বিষয়টি দীর্ঘ সময় ঝুলে থাকায় বিচারপ্রার্থীরা সত্য প্রকাশের অপেক্ষায় দিন গুনছেন। এরই মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে গঠিত উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্সের কার্যক্রম এবং তদন্তের সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে আজ মঙ্গলবার হাইকোর্ট গুরুত্বপূর্ণ আদেশ দেবেন। সব জট খুলে সত্য প্রকাশ পাবে— এমনটা আশায় দিন গুনছেন বিচারপ্রার্থীরা।
বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের দৈনন্দিন কার্যতালিকার শীর্ষে বা ১ নম্বর ক্রমিকে এই রিট আবেদনটি রাখা হয়েছে। আদালতে রিটকারীর পক্ষে শুনানি করবেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ এবং নিহত মেহেরুন রুনির পরিবারের পক্ষে থাকবেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনির। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের দৈনন্দিন কার্যতালিকার একেবারে শীর্ষে (১ নম্বর ক্রমিকে) রয়েছে রিট আবেদনটি।
উল্লেখ্য যে, এর আগে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র্যাব) সরিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশনা দিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে ২০২৫ সালের ৬ এপ্রিলের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে ২০২৫ সালের ৬ এপ্রিলের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়।
আদালতের নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় টাস্কফোর্স গঠন করলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত অগ্রগতি দেখা যায়নি। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে পরবর্তী সময়ে কয়েক দফায় সময় বাড়ানোর পর বিষয়টি পুনরায় আদালতের কার্যতালিকায় এসেছে। এখন সবার নজর রয়েছে আজকের আদালতের আদেশের দিকে।





