প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ৩৭৭ ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ার ঘটনায় একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিমান কর্তৃপক্ষ। গত শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের প্রশাসন ও মানবসম্পদ পরিদপ্তরের পরিচালক এয়ার কমোডর মো. নিয়ামুল কবীর স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কমিটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভ্যন্তরীণভাবে গঠিত এ তদন্ত কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
তদন্ত কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন বিমানের চিফ (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিডিউলিং)। এছাড়া কমিটিতে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে চিফ ইঞ্জিনিয়ার (ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোডাকশন) এবং ডেপুটি চিফ (ফ্লাইট সেফটি)-কে। ব্যবস্থাপক (আইনবিষয়ক) এই কমিটির সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
কমিটিকে মূলত কারিগরি ত্রুটির সঠিক কারণ উদ্ঘাটন, উড়োজাহাজের উড্ডয়ন উপযোগিতা যাচাই এবং দীর্ঘ বিলম্বের কারণে যাত্রীদের ভোগান্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্তির ওপর কী ধরনের প্রভাব পড়েছে, তা নিরূপণ করতে বলা হয়েছে।
এর আগে জাপানের নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কারিগরি ত্রুটির কবলে পড়ে ফ্লাইট বিজি ৩৭৭। ফলে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা বিলম্বে উড্ডয়ন করে বিমানটি। জাপানের স্থানীয় টেকনিশিয়ান ও বিমানের নিজস্ব ইঞ্জিনিয়ারিং টিমের যৌথ প্রচেষ্টায় ত্রুটি সারানোর পর বাংলাদেশ সময় রাত ৭টা ৪৩ মিনিটে পুশব্যাক সম্পন্ন হয় এবং রাত ৭টা ৫৫ মিনিটে ফ্লাইটটি বাংলাদেশের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি ৩৭৭ কারিগরি ত্রুটির কারণে জাপানের নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নির্ধারিত সময়ের সাড়ে ৫ ঘণ্টা পর পরে উড্ডয়ন করে।








