চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের বেতন ও ভাতা নির্ধারণে নতুন নীতিমালা

Published: October 29, 2026, 7:17 am

চুক্তিভিত্তিক নিয়োজিত সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন ও ভাতার কাঠামো পুনর্বিন্যাস করে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। বুধবার (২৮ অক্টোবর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়। নবম পে স্কেলের আলোকে তৈরি এই নতুন নীতিমালা ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে। ২০১৬ সালের ২৬ জানুয়ারি জারি করা পূর্বের প্রজ্ঞাপনটি এর মাধ্যমে বাতিল করা হয়েছে।

অর্থ বিভাগের যুগ্ম সচিব শরীফ নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ১ জুলাইয়ের আগে জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫-এর অধীনে বিভিন্ন গ্রেডে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের যাদের মেয়াদ এখনো বহাল রয়েছে, তাদের চুক্তি সংশোধন সাপেক্ষে নতুন বেতন স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ করা হবে। ১ জুলাই থেকে সংশ্লিষ্ট গ্রেড ও ধাপ অনুযায়ী তাদের বেতন পুনর্নির্ধারণ করা হবে এবং ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’-এর বিধান অনুসারে বর্ধিত হারে বেতন ও প্রযোজ্য ভাতা প্রদান করা হবে। তবে বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির সুবিধা এই আওতার বাইরে থাকবে। নতুন এই নীতিমালায় ২০২৬ সালের ১ জুলাইয়ের আগে এবং পরে আসা চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের জন্য ভিন্ন ভিন্ন নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ১ জুলাই ২০২৬-এর পরবর্তী সময়ে যারা চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন বা পাবেন, তাদের বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে অবসরে যাওয়ার ঠিক আগে জাতীয় বেতন স্কেলের যে গ্রেড ও ধাপে মূল বেতন ছিল, নতুন স্কেলে সেই গ্রেড ও ধাপ বিবেচনা করা হবে। বিদ্যমান চুক্তি থাকলে তা সংশোধন করে নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত বেতন অথবা পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে নির্ধারিত বেতন চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

নতুন এই নীতিমালায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে নির্ধারিত বেতন থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মোট পেনশন (কম্যুটেশন বা সমর্পণের আগের অঙ্ক) এবং বিশেষ অতিরিক্ত পেনশন, যদি থাকে, তা বাদ দেওয়া হবে না। তবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগকালীন চাকরির সময়ের জন্য কোনো ইনক্রিমেন্ট বা বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি, আনুতোষিক কিংবা বর্ধিত পেনশন প্রদান করা হবে না বলে প্রজ্ঞাপনে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।